[gtranslate]

ভালবাসাঃ- শরিয়তের দৃষ্টি ভংগি-


ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশের সময় : আগস্ট ৬, ২০২২, ৭:৩৪ অপরাহ্ণ / ১০৩
ভালবাসাঃ- শরিয়তের  দৃষ্টি ভংগি-

ভালবাসা পবিত্র ও পরিছন্ন বিষয়।ইসলামে ভালবাসা শব্দট ইতিবাচক।আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরানুল করিমে বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ নিষ্ঠাবানদের ভালবাসেন।”( সূরা বাকারাহ-আয়াত -১৯৫)

ভালবাসা একটি আপেক্ষিক শব্দ।এটি মূলত বিপরীত লিংগের প্রতি আকর্ষিত হওয়ার ফল।মানুষ ভালবাসার ক্ষেত্রে নিজের ঊপর নিয়ন্ত্রন রাখতে পারে না।বিষয়টির ঊপর মানুষের হাত না থাকায় রাসূল ( সাঃ)ও নিজ স্ত্রীদের ঊপর পালা বন্টন করে বলেছেন,”হে আল্লাহ আমার যতটুকু সাধ্য ছিল আমি ইনসাফ করার চেষ্টা করেছি।-আর যে বিষয়টি আমার সাধ্যে নাই (অর্থাৎ কোনো স্ত্রীর প্রতি ভালবাসা)সেই বিষয়ে আমাকে ভৎসনা করবেন না।”(সুনানে তিরমিজি-(৩/১৮৫)

ভালোবাসার প্রকারভেদ জানা থাকলে বিষয়টি আরো স্পষ্ট  ও বোধগম্য হয়ে উঠবে।

## এক-বৈধ ভালোবাসা-বৈধ ভালোবাসা হলো স্বামী-স্ত্রীর ভালোবাসা।পিতা-পুত্রের ভালোবাসা,বাবা-মার সাথে সন্তানদের ভালোবাসা।এই রকম আরো অনেক বৈধ ভালোবাসা আছে যেমন ভাই-বোনের ভালোবাসা ।অর্থাৎ যার সাথে বিবাহ হারাম সেই সব ভালোবাসা বৈধ।তবে স্বামী- স্ত্রীর মাঝে ভালোবাসা পবিত্র ও কাংখিত।ইসলাম এই ভালোবাসার প্রতি খুবই গুরুত্ব দিয়েছে।রাসূল (সাঃ) তার স্ত্রীদের ভালোবাসতেন।তাদের নিয়ে আনন্দ ফুর্তি করতেন।

## দুই-অবৈধ ভালোবাসা-                                                                   আজ আমাদের সমাজে যুবক-যুবতিদের মাঝে বিয়ে পূর্ব যে অনৈতিক সম্পর্ক সৃষ্টি হচ্ছে এবং ভালোবাসা সৃষ্টি হচ্ছে -ইসলামের দৃষ্টিতে তা সম্পূর্ন হারাম।ইসলাম কখনো এই ধরনের ভালোবাসা সমর্থন করে না।এটি মূলত যৌন তাড়না প্রসূত একটি বিষয়।যুবক-যুবতীরা বেহাইয়া পনাকে চরিত্রার্থ করার জন্যে ভালোবাসায় আবদ্ধ হন।যখন যৌন তাড়না নিঃশেষ হয়ে যায় তখন ভালোবাসায় ভাটা পড়ে।তবে একে অপরের ভালোবাসা যদি লুকায়িত থাকে অর্থাৎ প্রকাশ না পায় ও শরিয়ত লংঘন না করে ,সেই ভালোবাসায় ক্ষতি নাই।

সবচেয়ে বড় কথা হলো,-নিজেকে পবিত্র রাখার জন্যে তিনিতো আল্লাহর নিকট অবশ্যই বিনিময় পাবেন।তবে ভালোবাসার কারনে যদি অবৈধ কাজে লিপ্ত হয়ে যায়,তাহলে তা অবশ্যেই হারাম।

বিডি টুডে নিঊজ

# মাহাবুবুল আলম মুন্না-